আমার তথ্য কি নিরাপদ? — ব্যাকআপ
আপনার হাজিরা-বেতনের হিসাব কোথায় থাকে, ফোন হারালে কী হয়, আর নিজের কাছে একটা কপি রাখবেন কীভাবে।
-
আগে ভয়টা দূর করে নিই। আপনার তথ্য ফোনে জমা থাকে না — সার্ভারে, আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে জমা থাকে। ফোন হারালে, ফোন ভাঙলে, বা অ্যাপ মুছে আবার ইনস্টল করলেও তথ্য যায় না। নতুন ফোনে আগে যেটা দিয়ে ঢুকতেন — ওই একই নম্বর, বা ওই একই জিমেইল — সেটা দিয়ে ঢুকলেই সব ফিরে পাবেন।
শুধু একটা কথা — যে নম্বর (বা যে জিমেইল) দিয়ে কাজ করেছেন, ফিরে আসার সময় ঠিক সেটাই দিতে হবে। অন্যটা দিয়ে ঢুকলে অ্যাপ আপনাকে নতুন মানুষ ভাববে আর ভিতরে সব খালি দেখাবে — তথ্য মুছে যায়নি, শুধু অন্য দরজা।
-
এর বাইরেও চাইলে নিজের কাছে একটা কপি রাখতে পারেন — একটা ফাইল, যেটা আপনার নিজের। বাঁ দিকের মেনু (উপরে বাঁ দিকের তিনটা দাগ) খুলুন।
-
নিচের দিকে নামলে "ডাটাবেজ ব্যাকআপ" লেখা পাবেন। ওটাতে চাপ দিন।
-
"ডেটা ব্যাকআপ" পাতা খুলবে। উপরে লেখা থাকবে "আপনার তথ্য ক্লাউডে নিরাপদে আছে" — মানে সার্ভারে তো আছেই, এই পাতাটা শুধু আপনাকে নিজের একটা কপি দেয়।
-
"সকল শিক্ষার্থীর তালিকা" চাপুন। সব ক্লাসের ছাত্রছাত্রীর নাম-রোল এক CSV ফাইলে নেমে আসবে। CSV মানে এক্সেলের ফাইল — গুগল স্প্রেডশিট বা এক্সেল দিয়ে খুলতে পারবেন।
-
ফাইলটা হোয়াটসঅ্যাপে নিজের কাছে পাঠিয়ে রাখতে পারেন, বা কম্পিউটারে নিয়ে রাখতে পারেন। বছরে একবার করলেই যথেষ্ট।
সাধারণ প্রশ্ন
ফোন হারিয়ে গেলে আমার হাজিরার হিসাব কি চলে যাবে?
না। হাজিরা, ছাত্রদের নাম, বেতনের হিসাব — সব সার্ভারে আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে জমা থাকে, ফোনে না। নতুন ফোনে অ্যাপ নামিয়ে আগে যেটা দিয়ে ঢুকতেন — একই নম্বর বা একই জিমেইল — সেটা দিয়ে ঢুকলেই সব ফিরে পাবেন।
অ্যাপ আনইনস্টল করলে তথ্য মুছে যাবে?
না। আনইনস্টল করলে শুধু ফোন থেকে অ্যাপটা যায়, আপনার তথ্য যায় না। আবার ইনস্টল করে আগে যেটা দিয়ে ঢুকতেন — একই নম্বর বা একই জিমেইল — সেটা দিয়ে ঢুকলেই সব আগের মতো। শুধু খেয়াল রাখবেন — নম্বর দিয়ে বানানো হিসাব জিমেইল দিয়ে ঢুকলে দেখা যাবে না, আর জিমেইলেরটা নম্বর দিয়ে ঢুকলে না — অ্যাপের কাছে এরা দুইজন আলাদা মানুষ।
তাহলে ব্যাকআপ নেওয়ার দরকার কী?
দরকার নেই বললেই চলে — এটা বাড়তি নিশ্চয়তার জন্য। ফাইলটা আপনার নিজের কাছে থাকে, নেট ছাড়াও খোলা যায়, আর প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রে বা অফিসের কাজে লাগাতে পারেন।
ব্যাকআপ ফাইলে কী কী থাকে?
এখন "সকল শিক্ষার্থীর তালিকা" দিলে সব ক্লাসের ছাত্রছাত্রীর নাম আর রোল এক ফাইলে আসে। হাজিরার হিসাব আলাদা করে নিতে চাইলে ক্লাসে ঢুকে "উপস্থিতির রিপোর্ট" থেকে "প্রিন্ট করুন" চাপুন, বেতনের তালিকা নিতে বেতনের পাতা থেকে ডাউনলোড আইকনে চাপুন।
"পুরাতন ব্যাকআপ ডেভেলপারকে পাঠান" — এটা কী?
এটা সাধারণ ব্যবহারের জিনিস না। অনেক পুরানো ভার্সন থেকে আসা তথ্যে কোনো সমস্যা হলে, সমাধানের জন্য আমাদের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা। আমরা বলে না দিলে এটাতে চাপ দেওয়ার দরকার নেই।
ব্যাকআপ নিতে নেট লাগবে?
হ্যাঁ, ফাইলটা বানানোর সময় নেট লাগবে। একবার নেমে গেলে ফাইলটা নেট ছাড়াই খোলা যাবে।
AI-কে জিজ্ঞেস করুন
এই পাতাটা নিয়ে AI অ্যাপকে সহজ বাংলায় বুঝিয়ে দিতে বলুন।
কপি হয়েছে — এখন পেস্ট করুন
গুগল প্লে থেকে ফ্রি ডাউনলোড করুন
আরও টিউটোরিয়াল
- অ্যাপে ঢুকবেন কীভাবে ফোন নম্বর দিয়ে প্রথমবার অ্যাপে ঢোকা। ইমেইল বা পাসওয়ার্ড কিছু লাগবে না।
- এক আইডিতে ঢোকার আরেকটা রাস্তা যোগ করুন ফোন নম্বর দিয়ে খোলা আইডিতে জিমেইল যোগ করুন। আইডি একটাই থাকে, ভিতরের কিছুই বদলায় না।
- নিজের হাজিরা দেবেন কীভাবে শিক্ষক হিসেবে আপনি নিজেও প্রতিদিন হাজিরা দিতে পারেন — এক চাপেই হয়ে যায়।
- আমার বেতন দেখুন ও "বুঝে পেয়েছি" স্বাক্ষর করুন প্রতিষ্ঠান বেতন রেকর্ড করলে অ্যাপে খবর পাবেন। রশিদটা দেখে "বেতন বুঝে পেয়েছি" চেপে নিজের ডিজিটাল স্বাক্ষর রেখে দিন — দুই পক্ষের কাছেই প্রমাণ থাকবে।
- ক্লাস খুলবেন কীভাবে হাজিরা নেওয়ার আগে একবার ক্লাস খুলে নিতে হয়। একবারের কাজ।
- ক্লাসগুলো আগে-পরে সাজানো — কার্ড চেপে ধরে টেনে আনুন কেজি টু আগে আর কেজি ওয়ান পরে দেখাচ্ছে? ক্লাস যে সিরিয়ালে বানিয়েছিলেন সেই সিরিয়ালে আসে। "শ্রেণী কার্যক্রম" পাতায় কার্ড চেপে ধরে টেনে নিজের মতো সাজিয়ে নিন — নাম বদলানোর দরকার নাই।
- রশিদ-ফলাফলের লেখা সুন্দর করুন — ফন্ট আর আকার প্রিন্ট বা শেয়ার করা কাগজের লেখা দেখতে খারাপ লাগছে? এক জায়গায় ফন্ট বদলে দিলে রশিদ, ফলাফলের স্লিপ, প্রত্যয়ন পত্র — সব একসাথে বদলে যাবে।
- ছাত্র-ছাত্রী যোগ করবেন কীভাবে ক্লাসে ছাত্রদের নাম আর রোল একবার তুলে রাখুন। এরপর প্রতিদিন শুধু টিক দিলেই হবে।