রশিদ-ফলাফলের লেখা সুন্দর করুন — ফন্ট আর আকার

হালনাগাদ ৬ আগস্ট ২০২৬

রশিদ পাঠানোর পর মনে হয় — লেখাটা যেন অ্যাপের ভিতরের মতো সুন্দর না। অনেকে ভাবেন অ্যাপে সমস্যা। আসলে অ্যাপ কোনো ফন্ট চাপিয়ে দেয় না — আপনি নিজে একটা বেছে না দেওয়া পর্যন্ত ফোনের নিজের ফন্টেই কাগজ বের হয়। একবার বেছে দিলে সব কাগজে সেটাই বসবে।

প্রিন্ট বা শেয়ার করা কাগজের লেখা দেখতে খারাপ লাগছে? এক জায়গায় ফন্ট বদলে দিলে রশিদ, ফলাফলের স্লিপ, প্রত্যয়ন পত্র — সব একসাথে বদলে যাবে।

  1. বাঁ পাশে উপরের তিন দাগে চাপ দিয়ে মেনু খুলুন, তারপর "সেটিংস" চাপুন।

    বাঁ পাশে উপরের তিন দাগে চাপ দিয়ে মেনু খুলুন, তারপর "সেটিংস" চাপুন।
  2. নিচে নামলে পরপর দুইটা ফন্টের ঘর পাবেন। এই দুইটা এক জিনিস নয় — এটাই বেশিরভাগ মানুষ গুলিয়ে ফেলেন।

    নিচে নামলে পরপর দুইটা ফন্টের ঘর পাবেন। এই দুইটা এক জিনিস নয় — এটাই বেশিরভাগ মানুষ গুলিয়ে ফেলেন।

    "অ্যাপের লেখার ফন্ট" = ফোনের পর্দায় আপনি যা দেখেন। "ডকুমেন্টের ফন্ট (প্রিন্ট ও শেয়ার)" = রশিদ, ফলাফলের স্লিপ, প্রত্যয়ন পত্র, আইডি কার্ডে যা ছাপা হয়। পর্দারটা বদলালে কাগজের লেখা বদলাবে না।

  3. "ডকুমেন্টের ফন্ট (প্রিন্ট ও শেয়ার)" এর নিচের নামগুলো থেকে একটা চাপুন — কালপুরুষ, হিন্দ সিলিগুড়ি, আতমা (গোলাকার), মিনা বা সোলাইমান লিপি। প্রত্যেকটা নাম তার নিজের ফন্টেই লেখা, তাই চাপার আগেই দেখতে কেমন হবে বোঝা যায়।

    "ডকুমেন্টের ফন্ট (প্রিন্ট ও শেয়ার)" এর নিচের নামগুলো থেকে একটা চাপুন — কালপুরুষ, হিন্দ সিলিগুড়ি, আতমা (গোলাকার), মিনা বা সোলাইমান লিপি। প্রত্যেকটা নাম তার নিজের ফন্টেই লেখা, তাই চাপার আগেই দেখতে কেমন হবে বোঝা যায়।
  4. চাপলেই সাথে সাথে সেভ হয়ে যায় — আলাদা কোনো সেভ বোতাম চাপার দরকার নেই। এখন থেকে যত রশিদ বা ফলাফল বের করবেন, সব এই ফন্টে আসবে।

    চাপলেই সাথে সাথে সেভ হয়ে যায় — আলাদা কোনো সেভ বোতাম চাপার দরকার নেই। এখন থেকে যত রশিদ বা ফলাফল বের করবেন, সব এই ফন্টে আসবে।
  5. যে কাগজটা বানাচ্ছেন সেই পর্দা থেকেও বদলাতে পারেন। শেয়ার বা প্রিন্ট বোতামের পাশে একটা ছোট "Aa" বোতাম আছে — ওটা চাপলে "প্রিন্টের সেটিংস" খুলবে।

    যে কাগজটা বানাচ্ছেন সেই পর্দা থেকেও বদলাতে পারেন। শেয়ার বা প্রিন্ট বোতামের পাশে একটা ছোট "Aa" বোতাম আছে — ওটা চাপলে "প্রিন্টের সেটিংস" খুলবে।
  6. ওই বাক্সেই নিচে "লেখার আকার" আছে — মাইনাস চাপলে ছোট, প্লাস চাপলে বড়। ১০০% মানে মূল আকার। ঠিক হলে "শেষ" চাপুন।

    ওই বাক্সেই নিচে "লেখার আকার" আছে — মাইনাস চাপলে ছোট, প্লাস চাপলে বড়। ১০০% মানে মূল আকার। ঠিক হলে "শেষ" চাপুন।

    ফন্ট সব কাগজে এক — একবার বদলালে সবখানে বদলায়। কিন্তু লেখার আকার প্রতিটা কাগজের আলাদা। রশিদের আকার বড় করলে রেজিস্টার বা ফলাফলের আকার বড় হবে না, ওগুলো নিজ নিজ পর্দা থেকে আলাদা করে বদলাতে হবে।

  7. মিলিয়ে দেখুন — আগের কোনো একটা রশিদ বা ফলাফলের স্লিপ আবার বের করুন। নতুন ফন্টেই আসবে। পুরনো যে ছবিগুলো আগে পাঠিয়েছেন সেগুলো বদলাবে না, নতুন করে বের করলে বদলাবে।

সাধারণ প্রশ্ন

আমি তো ফন্ট বদলাইনি, তাহলে এতদিন কোনটা বসছিল?

"ডিফল্ট (সিস্টেম)" — মানে আপনার ফোনের নিজের ফন্ট। এটা কোনো ভুল না, কিন্তু ফোনভেদে আলাদা: একই রশিদ দুইজন শিক্ষকের দুই ফোন থেকে বের করলে দেখতে দুইরকম লাগতে পারে। প্রতিষ্ঠানের সব কাগজ একরকম দেখাতে চাইলে তালিকা থেকে একটা ফন্ট বেছে দিন — তাহলে আর ফোনের উপর নির্ভর করে না।

কোন ফন্টটা বেছে নেব?

বাংলার জন্য কালপুরুষ বা সোলাইমান লিপি সবচেয়ে পরিচিত — ছাপার কাগজে এগুলোই মানুষ দেখে অভ্যস্ত। হিন্দ সিলিগুড়ি একটু আধুনিক দেখায়। আতমা গোলাকার, ছোট বাচ্চাদের কাগজে ভালো লাগে। একটা বেছে একটা রশিদ বের করে দেখুন, পছন্দ না হলে আবার বদলান — যতবার খুশি বদলানো যায়, কোনো ক্ষতি নেই।

আরবি লেখা কি এই ফন্টে আসবে?

না। বান্ডিল করা ফন্টগুলোতে বাংলা, ইংরেজি, ০-৯ আর ৳ আছে — আরবি হরফ নাই। তাই ক্লাসের নাম বা কোনো লেখায় আরবি থাকলে সেটুকু ফোনের নিজের ফন্টেই আসবে, বাকিটা আপনার বেছে দেওয়া ফন্টে। এটা স্বাভাবিক, কিছু নষ্ট হয়নি।

এক শিক্ষক বদলালে কি সব শিক্ষকের কাগজ বদলে যাবে?

না। এটা যার যার ফোনের নিজের সেটিং। আপনি বদলালে শুধু আপনার ফোন থেকে বের করা কাগজ বদলাবে। পুরো প্রতিষ্ঠানে একরকম রাখতে চাইলে সবাইকে একই ফন্ট বেছে নিতে বলতে হবে।

AI-কে জিজ্ঞেস করুন

এই পাতাটা নিয়ে AI অ্যাপকে সহজ বাংলায় বুঝিয়ে দিতে বলুন।

AI অ্যাপ ব্যবহার করা শিখুন

গুগল প্লে থেকে ফ্রি ডাউনলোড করুন

আরও টিউটোরিয়াল