টিউটোরিয়াল
প্রতিটি কাজ ধাপে ধাপে, ছবিসহ। যেটা দরকার সেটাতে চাপ দিন — এক মিনিটেই শিখে যাবেন।
কিছু পাওয়া যায়নি
কাছাকাছি টিউটোরিয়াল
কপি হয়েছে — এখন গ্রুপে গিয়ে পেস্ট করুন
শিক্ষকদের রোজকার কাজ
- অ্যাপে ঢুকবেন কীভাবে ফোন নম্বর দিয়ে প্রথমবার অ্যাপে ঢোকা। ইমেইল বা পাসওয়ার্ড কিছু লাগবে না।
- এক আইডিতে ঢোকার আরেকটা রাস্তা যোগ করুন ফোন নম্বর দিয়ে খোলা আইডিতে জিমেইল যোগ করুন। আইডি একটাই থাকে, ভিতরের কিছুই বদলায় না।
- নিজের হাজিরা দেবেন কীভাবে শিক্ষক হিসেবে আপনি নিজেও প্রতিদিন হাজিরা দিতে পারেন — এক চাপেই হয়ে যায়।
- আমার বেতন দেখুন ও "বুঝে পেয়েছি" স্বাক্ষর করুন প্রতিষ্ঠান বেতন রেকর্ড করলে অ্যাপে খবর পাবেন। রশিদটা দেখে "বেতন বুঝে পেয়েছি" চেপে নিজের ডিজিটাল স্বাক্ষর রেখে দিন — দুই পক্ষের কাছেই প্রমাণ থাকবে।
- ক্লাস খুলবেন কীভাবে হাজিরা নেওয়ার আগে একবার ক্লাস খুলে নিতে হয়। একবারের কাজ।
- রশিদ-ফলাফলের লেখা সুন্দর করুন — ফন্ট আর আকার প্রিন্ট বা শেয়ার করা কাগজের লেখা দেখতে খারাপ লাগছে? এক জায়গায় ফন্ট বদলে দিলে রশিদ, ফলাফলের স্লিপ, প্রত্যয়ন পত্র — সব একসাথে বদলে যাবে।
- ছাত্র-ছাত্রী যোগ করবেন কীভাবে ক্লাসে ছাত্রদের নাম আর রোল একবার তুলে রাখুন। এরপর প্রতিদিন শুধু টিক দিলেই হবে।
- একবারে সবার নাম তুলবেন কীভাবে ৪০ জনের নাম একটা একটা করে লেখার দরকার নেই। তালিকা লিখে বা পেস্ট করে একবারে সবাইকে যোগ করুন — কম্পিউটার লাগবে না।
- হাজিরা নেবেন কীভাবে প্রতিদিনের হাজিরা নিতে এক মিনিটও লাগে না। ছবি দেখে দেখে করুন।
- সবার হাজিরা একসাথে নেবেন কীভাবে সব ক্লাসের হাজিরা এক পাতা থেকেই নিয়ে ফেলুন — ক্লাসে ক্লাসে ঢোকার দরকার নেই।
- প্রতিদিন কে কতটুকু পড়ল, লিখে রাখবেন কীভাবে হাজিরা বলে কে এসেছে। দৈনিক অগ্রগতি বলে কে কতটুকু পারল। আপনার প্রতিষ্ঠান যা পড়ায়, ঘরগুলো আপনি নিজেই ঠিক করে নেবেন।
- রিপোর্ট দেখবেন ও পাঠাবেন কীভাবে কোন ছাত্র কতদিন এসেছে, এক পাতায় দেখে নিন — আর দরকার হলে ফাইল বানিয়ে পাঠিয়ে দিন।
- মাসের অগ্রগতির রিপোর্ট বের করে অভিভাবককে পাঠাবেন কীভাবে সারা মাস যা লিখেছেন, তা এক পাতায় জমা হয়ে যায় — মোট কত, দিনে গড়ে কত, কোন দিন সবচেয়ে বেশি। ছবি বানিয়ে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান।
- ভুল হাজিরা ঠিক করবেন কীভাবে আগের কোনো দিনের হাজিরা ভুল হয়ে গেলে সেটা এখান থেকে ঠিক করে নিন।
- এক ক্লাস থেকে আরেক ক্লাসে ছাত্র সরানো — কপি নয়, সরান ছাত্র উপরের ক্লাসে উঠেছে বা সেকশন বদলেছে। "অন্য ক্লাসে সরান" দিয়ে সরালে তার হাজিরা, বেতনের হিসাব আর অভিভাবকের সংযোগ সবই সাথে যায়। "কপি" দিয়ে করলে যায় না — পার্থক্যটা এখানে।
- আগে "কপি" দিয়ে সরানো ছাত্রের পুরানো হাজিরা-বেতন খুঁজে বের করা — "আগের রেকর্ড" ৩.২.১৭৬-এর আগে "সরান" ছিল না — অনেকে "কপি" দিয়েই ছাত্র উপরের ক্লাসে নিতেন, আর তখন আগের হাজিরা-বেতন পুরানো ক্লাসেই থেকে যেত। সেই ছাত্রের প্রোফাইলে এখন "আগের রেকর্ড" নামে একটা বোতাম আছে যেটা সরাসরি সেই পুরানো তথ্য খুলে দেখায়।
- ছুটি ও বন্ধের দিন ঠিক করবেন কীভাবে ঈদ, পরীক্ষার বিরতি বা বন্যার দিনে প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল — সেটা একবার লিখে দিলে রিপোর্ট আর প্রিন্টে ঐ দিন "বন্ধ" লেখা আসবে, কেউ অনুপস্থিত হবে না।
- ছাত্র চলে গেছে বা ক্লাস পুরানো — সরাবেন কীভাবে (আর্কাইভ না ডিলিট) ছাত্র মাদরাসা ছেড়ে চলে গেছে অথচ হাজিরা আর বেতনের তালিকায় নাম রয়ে গেছে? এক্স বা প্রাক্তন করে রাখার ব্যবস্থা অ্যাপে আগে থেকেই আছে — নাম সরান, হিসাব হারাবেন না। ডিলিট করার আগে এটা পড়ুন।
- ক্লাসের নোট রাখবেন কীভাবে ক্লাস নিয়ে যা মনে রাখতে চান লিখে রাখুন — পরে যেকোনো সময় দেখতে পাবেন।
- একজন শিক্ষার্থীর নোট রাখবেন কীভাবে এক ছাত্রের জন্য আলাদা নোট — অসুস্থতা, অভিভাবকের সাথে কথা, শাস্তি বা প্রশংসা। ক্লাসের নোট থেকে এটা আলাদা।
- প্রত্যয়ন পত্র বের করবেন কীভাবে লেখাটা একবার নিজের মতো সাজিয়ে সেভ করুন। এরপর প্রতিটা শিক্ষার্থীর জন্য শুধু নাম বাছলেই প্রত্যয়ন পত্র তৈরি।
- প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি ছাপাবেন কীভাবে ছুটি, পরীক্ষা, ভর্তি বা সভার বিজ্ঞপ্তি — প্রতিষ্ঠানের নাম-লোগোসহ এক পাতায় ছেপে নিন। রেডিমেড লেখা দেওয়া আছে, শুধু তারিখগুলো বসাবেন।
- রুটিনের পাঁচটা ঘর — কোনটা কীসের জন্য ক্লাস, পরীক্ষা, প্রশাসনিক, ব্যক্তিগত আর প্রতিষ্ঠানের রুটিন — কোনটা শুধু আপনার, আর কোনটা অন্যরাও দেখে।
- ক্লাস রুটিন বানাবেন কীভাবে ক্লাসের রুটিন অ্যাপেই বানিয়ে রাখুন, দরকার হলে প্রিন্ট করে নিন। প্রতিষ্ঠানের অন্য শিক্ষকদের বানানো রুটিনও এক জায়গায় দেখতে পাবেন।
- প্রতিষ্ঠানের অফিস রুটিন — মিটিং সবাইকে জানাবেন যেভাবে প্রশাসনিক রুটিনে লেখা মিটিং বা অভিভাবক সমাবেশ এক চাপে প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষকের ফোনে পাঠান।
- পরীক্ষার রুটিন বানাবেন কীভাবে কোন দিন কোন ক্লাসের কোন পরীক্ষা — একবার লিখে রাখুন। তারপর প্রিন্ট করুন, অভিভাবকদের পাঠান, আর প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক দেখতে পাবেন।
- প্রশ্নপত্র বানাবেন কীভাবে পরীক্ষার প্রশ্ন অ্যাপেই লিখুন আর প্রতিষ্ঠানের প্যাডে ছাপুন। পূর্ণমান আলাদা করে লিখতে হয় না — প্রশ্নের নম্বরগুলো নিজে নিজেই যোগ হয়ে যায়।
- আমার তথ্য কি নিরাপদ? — ব্যাকআপ আপনার হাজিরা-বেতনের হিসাব কোথায় থাকে, ফোন হারালে কী হয়, আর নিজের কাছে একটা কপি রাখবেন কীভাবে।
- কীভাবে AI অ্যাপ ব্যবহার করবেন হাজিরা খাতা অ্যাপের যেকোনো স্ক্রিনে "এআই" বাটনে চাপ দিয়ে প্রশ্ন করুন — অ্যাপ নিজেই প্রশ্নটা তৈরি করে Gemini বা ChatGPT-তে পাঠিয়ে দেয়, কোনো প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই।
প্রতিষ্ঠান পরিচালনা
- প্রতিষ্ঠান সাজাবেন কীভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল একবার খুললে অন্য শিক্ষকদের যুক্ত করা যায়, আর সবাই একই ক্লাস-ছাত্র দেখতে পান।
- শিক্ষক আমন্ত্রণ ও অনুমোদন প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষক যুক্ত করা — কোড পাঠানো, আর অনুরোধ এলে এক চাপে অনুমোদন।
- শিক্ষককে ক্লাস বুঝিয়ে দিন (শ্রেণী শিক্ষক করুন) শিক্ষক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হয়েছেন কিন্তু কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না? এই এক কাজেই সমাধান — ২ মিনিট।
- কে কী দেখতে পারবে — পদবী ও পারমিশন অন্য শিক্ষকরা কীভাবে ঢুকবেন, আর কাকে কতটুকু ক্ষমতা দেবেন — পদবী দিয়ে, আর এখন একজন মানুষের জন্য আরও নির্দিষ্ট করে "অনুমতি" দিয়েও।
- শিক্ষক প্রতিষ্ঠান ছেড়ে গেছেন — নাম সরাবেন কীভাবে কেউ চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, বা ভুল মানুষকে অনুমোদন দিয়ে ফেলেছেন। এক চাপে নাম সরান — তাঁর নেওয়া হাজিরা-বেতনের হিসাব কিছুই না হারিয়ে। নিজে বেরিয়ে যেতে চাইলে কী করবেন, সেটাও আছে।
- শিক্ষকের বেতন রেকর্ড করুন ও রশিদ পাঠান বেতন দেওয়ার পর শিক্ষককে অ্যাপের ভেতরেই একটা রশিদ পাঠান — WhatsApp-এ থাকলে সাথে সাথে, না থাকলেও রশিদ পিকচার হিসেবে পাঠানো যাবে।
- অনলাইনে ভর্তি নেবেন কীভাবে একটা লিংক বানিয়ে ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে দিন। অভিভাবক ঘরে বসে ফর্ম পূরণ করবেন, আবেদন আপনার অ্যাপে চলে আসবে, আর অনুমোদন দিলেই শিক্ষার্থী ক্লাসে যোগ হয়ে যাবে।
- শিক্ষক হিসেবে নিজে যোগ দিন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া ৬ অক্ষরের কোড দিয়ে নিজেই যুক্ত হয়ে যান।
- যাকাত ও দান-অনুদানের হিসাব রাখবেন কীভাবে যাকাত, ফিতরা, সদকা আর অনুদানের আলাদা হিসাব — কে দিলেন, কোন শিক্ষক তুললেন, কোথায় বিতরণ হলো।
- পরিচালনা কমিটির তালিকা রাখবেন কীভাবে সভাপতি, সম্পাদক ও সদস্যদের নাম, পদবী আর মোবাইল নম্বর অ্যাপেই এক জায়গায় — ক্রম অনুযায়ী সাজানো, আর এক চাপে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে প্রিন্ট।
- শিক্ষক হাজিরার তালিকা দেখবেন কীভাবে কোন শিক্ষক আজ এসেছেন, কে আসেননি — পুরো প্রতিষ্ঠানের হিসাব এক জায়গায়। ট্যাবটা ফাঁকা দেখালে কেন ফাঁকা, সেটাও এখানে বলা আছে।
- প্রতিষ্ঠানের নিজের ওয়েবসাইট বানাবেন কীভাবে হাজিরা খাতা থেকেই প্রতিষ্ঠানের একটা ওয়েবসাইট বানানো যায় — বিনামূল্যে, কোনো কোডিং ছাড়া। নোটিশ, শিক্ষকবৃন্দ, ভর্তির খবর সব এক পাতায় থাকবে, আর লিংকটা অভিভাবকদের পাঠিয়ে দিতে পারবেন।
অভিভাবকদের জন্য
- আমার সন্তান দেখবেন কীভাবে অ্যাকাউন্ট ছাড়াই সন্তানের হিসাব রাখুন — টিকার তারিখ, স্মৃতি, নিজের রাখা হাজিরা।
- অভিভাবক নিজে থেকে যুক্ত হতে চাইলে কী করবেন অভিভাবক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে সন্তানের নাম লিখে অনুরোধ পাঠান। সেই অনুরোধ প্রতিষ্ঠানের ট্যাবে জমা হয়। আপনি শুধু দেখিয়ে দেবেন এটা কোন শিক্ষার্থী — বাকিটা অভিভাবক নিজেই করবেন।
- সব অভিভাবককে একসাথে যুক্ত করুন এক এক করে লিংক পাঠাতে গেলে ৪০ জন অভিভাবকে সারা দিন লেগে যাবে। এক চাপে পুরো ক্লাসের অভিভাবকের কাছে রিকোয়েস্ট পাঠান, আর যিনি সামনে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁকে কিউআর কোড দেখিয়ে সাথে সাথে যুক্ত করুন।
- ডায়েরি দিয়ে অভিভাবককে যুক্ত করুন শিক্ষক একটা লিংক বা QR পাঠাবেন, অভিভাবক সেটাতে চাপ দিলেই যুক্ত হয়ে যাবেন — ক্লাসের বার্তা তাঁর ফোনে পৌঁছাবে।
- অভিভাবককে বার্তা পাঠাবেন কীভাবে নোটিশ, বাড়ির কাজ, বেতনের কথা বা পরীক্ষার খবর — সরাসরি অভিভাবকের ফোনে, বিনামূল্যে। ছবি বা পিডিএফও পাঠানো যায়। কে বার্তাটা পাবেন আর কে পাবেন না, পাঠানোর আগেই অ্যাপ বলে দেয়।
- কোন অভিভাবক যুক্ত হয়েছেন, দেখবেন কীভাবে রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন — কাজ হলো কি? ডায়েরির নিচের তালিকাটাই উত্তর দেয়। কার নামের পাশে "যুক্ত" লেখা, কাকে ফোন দেবেন, আর লাল ✕ চাপলে কী হয় — সবই এখানে।
- পরীক্ষার রুটিন অভিভাবকদের পাঠাবেন কীভাবে রুটিনটা আপনি একবার অ্যাপে লিখে রেখেছেন। এখন এক চাপে সেটাই অভিভাবকের ফোনে চলে যাবে — নতুন করে টাইপ করতে হবে না, ছবি তুলতে হবে না।
- অভিভাবক শিক্ষককে কীভাবে যোগাযোগ করবেন ডিজিটাল ডায়েরিতে শিক্ষকের বার্তার নিচেই শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের বোতাম আছে। ডায়েরিতে উত্তর লেখার ঘর নাই — কেন নাই আর কী করবেন, দুইটাই এখানে।
- এসএমএস কিনতে হয় না — বার্তার খরচ আসলে কার হাজিরা খাতা কোনো এসএমএস প্যাকেজ বিক্রি করে না, অ্যাপ নিজে থেকে একটা এসএমএসও পাঠাতে পারে না। অভিভাবকের কাছে বার্তা যাওয়ার পথ দুইটা — ডিজিটাল ডায়েরি পুরাই বিনামূল্যে, আর এসএমএসে টাকা কাটে আপনার নিজের সিম থেকে। এক ক্লাসে মাসে কত টাকার পার্থক্য, হিসাবসহ এখানে।
বেতন, ফলাফল ও মেশিন
- বেতন আদায় করবেন কীভাবে মাসের বেতন একবার তৈরি করুন, তারপর যে টাকা দিল তার ঘরে বসিয়ে দিন। কে কত বাকি, নিজেই হিসাব হয়ে যাবে।
- একেক ছাত্রের বেতন আলাদা হলে কী করবেন কারো বেতন ১০০০, কারো ২০০০, কারো মাফ — প্রত্যেকের অঙ্ক আলাদা বসানো যায়। পুরনো বকেয়াও এভাবেই তোলা হয়।
- পূর্বের বকেয়া — পুরনো বাকি টাকা তোলা আর প্রতি মাসে যোগ হওয়া অ্যাপ চালু করার আগের বকেয়া একবারে বসিয়ে দিন, আর প্রতি মাসের বাকি টাকা যেন নিজে থেকেই পরের মাসে চলে আসে।
- মার্কশিট বানাবেন কীভাবে বিষয়ের নম্বরপত্র তৈরি করুন, নম্বর বসান, তারপর পুরো ক্লাসের মার্কশিট প্রিন্ট করে নিন।
- সবার ফলাফল একসাথে বের করবেন কীভাবে এক ক্লিকে পুরো ক্লাসের ফলাফল এক PDF-এ — প্রতি ছাত্রের আলাদা পাতা। একটা একটা করে বের করার দরকার নাই। প্রিন্ট দিন, অথবা নিজের Google Drive-এ রেখে দিন — ১০ বছর পরেও নাম দিয়ে খুঁজে পাবেন।
- প্রবেশপত্র ও আসনপত্র (সিট কার্ড) বানাবেন কীভাবে পরীক্ষার প্রবেশপত্র আর আসনপত্র (সিট কার্ড) নিজেই বানিয়ে প্রিন্ট করে নিন — লোগো, সাক্ষর, তারিখ সবসহ। দুইটাই একই পর্দায়, উপরে দুইটা ট্যাব।
- পরিচয়পত্র বানাবেন কীভাবে ছাত্রদের পরিচয়পত্র নিজেই বানিয়ে প্রিন্ট করে নিন — লোগো আর ছবিসহ।
- শিক্ষক ও কর্মচারীর পরিচয়পত্র বানাবেন কীভাবে শিক্ষক, অফিস স্টাফ, দারোয়ান, আয়া — সবার পরিচয়পত্র এক পাতায় প্রিন্ট করুন।
- মেশিন থেকে হাজিরা আনবেন কীভাবে আঙুলের ছাপের মেশিন থেকে ফাইল নামিয়ে সেটা অ্যাপে তুলে দিন — হাজিরা নিজে থেকেই বসে যাবে।
- আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখবেন কীভাবে প্রতিষ্ঠানের টাকা কোথা থেকে এলো আর কোথায় গেল — সবই এক খাতায়।