পরিচয়পত্র বানাবেন কীভাবে
ছাত্রদের পরিচয়পত্র নিজেই বানিয়ে প্রিন্ট করে নিন — লোগো আর ছবিসহ।
-
ক্লাসের কার্ডে "দেখুন" চাপুন।
-
"পরিচয়পত্র প্রিন্ট করুন" চাপুন।
-
প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা আর লোগো বসান। তারপর "দেখুন" চেপে আগে দেখে নিয়ে "প্রিন্ট করুন" চাপুন।
ছাত্রের ছবি দিতে চাইলে আগে প্রোফাইলে ছবি তুলে রাখতে হবে, নাহলে ঘরটা ফাঁকা ছাপা হবে।
সাধারণ প্রশ্ন
পিছনের পাতাটা সামনের পাতার মতো রঙিন হবে না?
৩.২.২১৯ থেকে নিজে নিজেই হয়। আপনি সামনের জন্য যেই ডিজাইনটা বাছবেন, পিছনের পাতা সেই একই রঙ নেবে — উপরে রঙিন বার, চারপাশে বর্ডার, প্রতিষ্ঠানের নামও ওই রঙে। আলাদা করে কিছু বাছতে হবে না, ডিজাইন বদলালে পিছনটাও বদলাবে।
পিছনে প্রতিষ্ঠানের মোবাইল নম্বর, ইমেইল আর ঠিকানা দিতে চাই।
৩.২.২১৯ থেকে যায়। "কার্ডের পিছনের পাতা" চালু করলে লেখার ঘরের নিচেই "নিচে প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ" নামে আরেকটা ঘর পাবেন। ওখানে মোবাইল নম্বর, ইমেইল, ঠিকানা যা দিতে চান লিখে দিন — প্রত্যেক কার্ডের পিছনে নিচের দিকে একটা হালকা রঙের বাক্সে ছাপা হবে। না চাইলে ঘরটা খালি রাখুন, তাহলে ওই বাক্সটাই আসবে না।
কার্ডের পিছনের পাতাও ছাপাতে চাই।
৩.২.২১৭ থেকে যায়। "দেখুন" চেপে যেই পাতাটা আসে, ওখানে নিচে "কার্ডের পিছনের পাতা" নামে একটা সুইচ আছে। চালু করলে নিচে লেখার ঘর আসবে — কার্ড হারালে কোথায় ফেরত দিতে হবে, এই লেখাটা আগে থেকেই বসানো থাকে, চাইলে বদলাতে পারবেন। লেখাটা পুরা স্কুলের জন্য একটাই।
পিছনের পাতায় প্রত্যেকের নিজের তথ্য বসানো যাবে?
যাবে। লেখার ভিতরে {নাম} {ঠিকানা} {জন্ম তারিখ} {মোবাইল} লিখলে প্রত্যেকের কার্ডে তার নিজেরটা বসবে। শিক্ষার্থীর কার্ডে আরও আছে {রোল} {শ্রেণি} {শাখা} {শিক্ষাবর্ষ}, আর শিক্ষক-কর্মচারীর কার্ডে {আইডি} {পদবী} {বিভাগ} {যোগদান}। একটা ব্যতিক্রম আছে: শিক্ষার্থীর কার্ডে {ঠিকানা} এখনকার ভার্সনে ফাঁকা আসবে — উপরের ঠিকানার প্রশ্নটা দেখুন, একই বাগ, পরের আপডেটে ঠিক হয়ে যাবে। শিক্ষক-কর্মচারীর কার্ডে {ঠিকানা} ঠিকই কাজ করে।
পিছনের পাতা চালু করলে কাগজ কি বেশি লাগবে?
দ্বিগুণ লাগবে। প্রতিটা পাতার ঠিক পরেই তার পিছনের পাতাটা আসে, তাই একই কাগজের উল্টা পিঠে ছাপালে কার্ডগুলা জায়গামতো পড়ে। শুধু শেষ সারিটা ভরা না থাকলে এখনকার ভার্সনে একটা সমস্যা আছে — নিচের প্রশ্নটা দেখুন। সুইচটা বন্ধ থাকলে আগের মতোই শুধু সামনের পাতা ছাপা হবে।
কাগজে ছাপানোর পর কার্ড হোল্ডারে ঢুকছে না, বা সামনে-পিছনে মিলছে না।
অ্যাপ কার্ডগুলা একদম আসল মাপে বানায় — ৫৩.৯৮ × ৮৫.৬ মিলিমিটার, A4 কাগজের জন্য। ছাপার সময় মাপ একটুও বদলে গেলে দুইটা জিনিস নষ্ট হয়: কার্ড আর হোল্ডারে ঢোকে না, আর দুই পিঠ মেলে না। যিনি প্রিন্ট দেন তাঁকে দুইটা কথা বলে দিন। এক, সাইজ "১০০%" বা "Actual size" রাখতে — "Fit to page" বা "Shrink to fit" দেওয়া থাকলে বন্ধ করতে বলবেন, ওটা থাকলে পুরা পাতা একটু ছোট হয়ে ছাপে। দুই, দুই পিঠে ছাপার সময় "Flip on long edge" (লম্বা দিক ধরে উল্টানো) দিতে — "Short edge" দেওয়া থাকলে পিছনের পাতা উল্টা দিকে চলে যায় আর কিছুতেই মিলবে না। এই দুইটা সেটিং অ্যাপের ভিতরে নাই, যেই যন্ত্র বা দোকানে ছাপাবেন সেখানকার। ছাপার পর একটা কার্ড কেটে হোল্ডারে ঢুকায়ে দেখে নিলে পুরা পাতা কাটার আগেই ধরা পড়বে।
সামনের পাতা আর পিছনের পাতা ঠিক মিলছে না, পিছনের কার্ডগুলা এক ঘর সরে যাচ্ছে।
এক পাতায় পাশাপাশি ৩টা কার্ড বসে। শেষ সারিতে যদি ৩টার কম থাকে — মানে ওই পাতার কার্ডের সংখ্যা ৩ দিয়ে ভাগ না গেলে — তাহলে এখনকার ভার্সনে ওই সারির পিছনের কার্ডগুলা এক ঘর সরে ছাপা হয়, একজনের পিছনে আরেকজনেরটা পড়ে যায়। ভরা সারিতে কোনো সমস্যা নাই। এটা ঠিক করা হয়েছে — ৩.২.২৫৩ টেস্ট ভার্সনে ঠিক আছে, সবার ফোনে আসতে আরও কিছুদিন। ততদিন শেষ পাতাটা কাটার আগে উল্টায়ে একবার মিলায়ে নিন।
শিক্ষার্থীর ঠিকানা প্রোফাইলে দেওয়া আছে, কিন্তু পরিচয়পত্রে আসছে না।
দুঃখিত — এটা অ্যাপের একটা বাগ, আপনার কোনো ভুল না। "দেখুন" চাপার আগের ফর্মে নিচের দিকে "ঠিকানা যোগ হবে?" নামে সুইচটা আছে, কিন্তু এখনকার ভার্সনে ওটা চালু করলে ঠিকানা শুধু উপরের নমুনা কার্ডে দেখায়, আসল প্রিন্টে আসে না। কার্ডের পিছনের পাতায় {ঠিকানা} লিখলেও শিক্ষার্থীর কার্ডে ওটা ফাঁকা থাকবে — একই কারণে। এখন পর্যন্ত এর কোনো উপায় নাই; ঠিকানা লাগলে হাতে লিখে নিতে হবে। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ কারণটা ধরা পড়েছে এবং ঠিক করা হয়েছে — ৩.২.২৫৩ টেস্ট ভার্সনে ঠিকানা ঠিকঠাক ছাপা হচ্ছে। সবার ফোনে আসতে আরও কিছুদিন লাগবে। আপডেটটা আসার পর সুইচটা চালু করলেই প্রত্যেকের কার্ডে তার নিজের ঠিকানা বসবে। || একটা কথা তখনো মনে রাখবেন: উপরের নমুনা কার্ডটা সবসময় তালিকার প্রথম শিক্ষার্থীকে দেখায়। যার প্রোফাইলে ঠিকানা লেখা নাই, তার কার্ডে ঠিকানার লাইনটা আসবে না — খালি ঘর ছাপা হয় না। || শিক্ষক-কর্মচারীর পরিচয়পত্রে এই সমস্যা নাই, ওখানে "ঠিকানা যুক্ত করুন" সুইচটা ঠিকঠাক কাজ করে।
AI-কে জিজ্ঞেস করুন
এই পাতাটা নিয়ে AI অ্যাপকে সহজ বাংলায় বুঝিয়ে দিতে বলুন।
কপি হয়েছে — এখন পেস্ট করুন
গুগল প্লে থেকে ফ্রি ডাউনলোড করুন
আরও টিউটোরিয়াল
- বেতন আদায় করবেন কীভাবে মাসের বেতন একবার তৈরি করুন, তারপর যে টাকা দিল তার ঘরে বসিয়ে দিন। কে কত বাকি, নিজেই হিসাব হয়ে যাবে।
- একেক ছাত্রের বেতন আলাদা হলে কী করবেন কারো বেতন ১০০০, কারো ২০০০, কারো মাফ — প্রত্যেকের অঙ্ক আলাদা বসানো যায়। পুরনো বকেয়াও এভাবেই তোলা হয়।
- পূর্বের বকেয়া — পুরনো বাকি টাকা তোলা আর প্রতি মাসে যোগ হওয়া অ্যাপ চালু করার আগের বকেয়া একবারে বসিয়ে দিন, আর প্রতি মাসের বাকি টাকা যেন নিজে থেকেই পরের মাসে চলে আসে।
- মার্কশিট বানাবেন কীভাবে বিষয়ের নম্বরপত্র তৈরি করুন, নম্বর বসান, তারপর পুরো ক্লাসের মার্কশিট প্রিন্ট করে নিন।
- সবার ফলাফল একসাথে বের করবেন কীভাবে এক ক্লিকে পুরো ক্লাসের ফলাফল এক PDF-এ — প্রতি ছাত্রের আলাদা পাতা। একটা একটা করে বের করার দরকার নাই। প্রিন্ট দিন, অথবা নিজের Google Drive-এ রেখে দিন — ১০ বছর পরেও নাম দিয়ে খুঁজে পাবেন।
- প্রবেশপত্র ও আসনপত্র (সিট কার্ড) বানাবেন কীভাবে পরীক্ষার প্রবেশপত্র আর আসনপত্র (সিট কার্ড) নিজেই বানিয়ে প্রিন্ট করে নিন — লোগো, সাক্ষর, তারিখ সবসহ। দুইটাই একই পর্দায়, উপরে দুইটা ট্যাব।
- শিক্ষক ও কর্মচারীর পরিচয়পত্র বানাবেন কীভাবে শিক্ষক, অফিস স্টাফ, দারোয়ান, আয়া — সবার পরিচয়পত্র এক পাতায় প্রিন্ট করুন।
- মেশিন থেকে হাজিরা আনবেন কীভাবে আঙুলের ছাপের মেশিন থেকে ফাইল নামিয়ে সেটা অ্যাপে তুলে দিন — হাজিরা নিজে থেকেই বসে যাবে।